শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ০৬:২৩ অপরাহ্ন

অপহৃত যুবককে জীবিত উদ্ধার,আটক-১

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২২
  • ১২৭ বার পঠিত

সাইফুদ্দীন আল মোবারক :

ক্সবাজারের রামু উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অপহরণকারীদের হাত থেকে অপহৃত এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ ।অপহৃত আব্দুল্লাহ টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউপির কানজর পাড়া এলাকার বাদশাহ মিয়ার ছেলে।

রবিবার (৩ এপ্রিল ) ভোররাতে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই যায়েদ হাসান রামু থানা পুলিশের সহযোগিতায় আব্দুল্লাহ কে উদ্ধার করেন ।এসময় অপহরণ চক্রের অন্য সদস্যরা পালিয়ে গেলেও একজন কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন পুলিশ ।গ্রেপ্তার আসামি একই এলাকার আব্দু শুক্কুরের ছেলে আনোয়ার হোসেন।

ভিকটিম পরিাবারের বরাত দিয়ে অফিসার যায়েদ হাসান জানান,গেল (২৮ মার্চ )দুপুর ২টার দিকে অপহরণ চক্রের মূল হোতা আনোয়ার হোসেন কৌশলে আব্দুল্লাহ কে অপহরণ করে অপরাপর সদস্যদের হাতে তুলে দেয়। অপহরণকারীরা ফোনে মুক্তিপণ দাবি করলে ভিকটিম পরিবার হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করেন।

এসআই যায়েদ হাসান আরো বলেন,অভিযোগ পাওয়ার পরে গোপনে খবর নিয়ে জানতে পারি যে,অপহরণকারীরা রামু থানার একটি পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থান করছে।পরে রামু থানা পুলিশের সহযোগিতায় রশিদনগর ইউপির থলিয়াঘোনার ধলিরছড়া পাহাড়ি এলাকা থেকে ভিকটিম আব্দুল্লাহ কে উদ্ধার পূর্বক অপহরণ চক্রের মূল হোতা আনোয়ার হোসেন কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় ।ভিকটিম আব্দুল্লাহ বলেন,‘‘আঁরে মারিতারি কিছু নঅ রাখে,ভাততাত কিছু নঅ দিতো ,টিয়ার হথা কইতো, আঁরা গরীব মানুইষ টিয়া দিত নঅ পারির,৭দিন পরে পুলিশ আঁরে উদ্ধার গউজ্জে,নইলে মারি ফেলাই তো’’ । অর্থাৎ,আমাকে মারধর করে কিছুই রাখেনি,খানাপিনা দিতো না,টাকার কথা বলতো,আমরা গরীব মানুষ টাকা দিতে পারছি না ,৭ দিন পরে পুলিশ আমাকে উদ্ধার করেছে ,না হলে আমাকে মেরে ফেলতো।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ হাফিজুর রহমান জানান,আটক আসামি আনোয়ার হোসেন কে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs