মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আত্মসমর্পণকারী ইউনুছের বাড়ি থেকে ইয়াবা ও ফেন্সিডিল উদ্ধার!_ নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফয়েজুল ইসলাম মেম্বার রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নিপাত যাক,বাঙালি জাতি মুক্তি পাক এই স্লোগান নিয়ে বিশাল মানববন্ধন প্রেম করে তুমি প্রতিশোধ নিতে চেয়েছো?প্রয়াত যুবতীর চিঠি! ওব্যাট-প্রান্তিক লার্নিং সেন্টারের শিক্ষার্থীরা পেলো শীতবস্ত্র |বাংলাদেশ দিগন্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে পেকুয়ায় সাংবাদিকদের মানবন্ধন |বাংলাদেশ দিগন্ত রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের দাবিতে টেকনাফে ছাত্রলীগের মানববন্ধন টেকনাফ পৌরসভা নির্বাচনে মোহাম্মদ ইসমাইলের মেয়র প্রার্থীতা বৈধ করেছেন হাইকোর্ট মোটরসাইকেল প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী খোকনের নির্বাচনি অফিস উদ্বোধন হোয়াইক্যংয়ে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান-মেম্বারদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন |বাংলাদেশ দিগন্ত

ঈদুল আযহা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পুলিশ কনস্টেবল শাহেদ |বাংলাদেশ দিগন্ত

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২০
  • ২১৭ বার পঠিত

বর্ষ পরিক্রমায় আবারও এসেছে পবিত্র ঈদুল আযহা। আমাদের জীবনে প্রতি বছর ঈদ আসে আনন্দ আর সীমাহীন প্রেম,প্রীতি ও কল্যানের বার্তা নিয়ে।তাই এই দিন সকল কালিমা আর কলুষিতাকে ধুয়ে মুছে, হিংসা বিদ্বেষ ভুলে পরস্পর প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া উচিৎ।
ঈদের শুভেচ্ছা।
ঈদ আরবি শব্দ-যার অর্থ খুশি বা আনন্দ। ঈদ একাধারে উৎসব ও ইবাদত।ঈদ এলে ধনী-গরিব, উঁচু-নিচু সব মানুষ মেতে ওঠে উৎসবে।সব বৈষম্য ও ভেদাভেদ ভুলে মানুষে মানুষে সৃষ্টি হয় সাম্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ। ধনী -গরীব নির্বিশেষে সব মানুষ একটি দিনের জন্য হলেও ভুলে যায় হিংসা-বিদ্বেষ।
মহানবী (সা.) মদিনায় হিজরত করার আগে আরব জাতি ‘নাইরোজ’ ও ‘মেহেরজান’ নামে দুটি উৎসব পালন করত। মহানবী (সা.) মদিনায় হিজরত করার পর অশ্লীলতায় নিমজ্জিত উৎসব দুটির মূলোৎপাটন করে মুসলমানদের জন্য চালু করেন ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা নামে দুটি ধর্মীয় উৎসব। মূলত মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে তখন থেকেই শুরু হয় ঈদ উৎসব পালনের প্রচলন।
ঈদ হচ্ছে মুসলমানের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় এই উৎসব এখন আর শুধু মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বিস্তৃত হয়েছে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যেও। ঈদের আনন্দে এখন সব ধর্মের মানুষ শরীক হয় বলে এটা এখন সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। ঈদের দুটি মাহাত্ম্য রয়েছে। একটি হচ্ছে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি অর্জন, অন্যটি হচ্ছে অসচ্ছল ও অবহেলিত মানুষের অধিকার নিশ্চিত করন।
এবারের ঈদের ভিন্ন তাৎপর্য রয়েছে। করোনা ভাইরাসের কারনে পুরো সমাজে অর্থনৈতিক বিপর্যয় চলছে।ফলে ঘরে ঘরে বিরাজ করছে বিষাদের ছায়া। তা ছাড়া দীর্ঘ দিন ধরে ব্যবসা-বাণিজ্য ও কাজকর্ম বন্ধ থাকায় অর্থনীতিতে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। নিম্ন আয়ের মানুষেরা এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি সমস্যাপীড়িত। অনেকের ঘরে নেই দু-মুঠো অন্নের সংস্থান। এই সময়ে আমাদের সবার উচিত বিপন্ন ও অসহায় এসব মানুষের পাশে দাঁড়ানো। সব ভয়ভীতি ও আতঙ্ককে জয় করে আমরা যদি এবারের ঈদে ক্ষুধার্ত অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে পারি, তাহলে ঈদের আনন্দ ও উদ্দেশ্য সার্থক হবে।

ঈদ মোবারক
শুভেচ্ছান্তে-
নুরুল ইসলাম শাহেদ
বাংলাদেশ পুলিশ সদস্য

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs
error: Content is protected !!