শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ০৬:৩৫ অপরাহ্ন

চট্রগ্রামে বায়েজিদথানাধীন মামা কর্তৃক ভাগিনা হয়রানী ও প্রতারণার অভিযোগ |বাংলাদেশ দিগন্ত

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা:
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১
  • ৫০৯ বার পঠিত

চট্রগ্রামে অক্সিজেন বায়েজিদথানাধীন মামাকর্তৃক ভাগিনা হয়রানী ও প্রতারনার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, মো: হোসনে মোবারক আরমান (২৬) এবং তার মামা মো: আলমগীর (৫০) দুজনে বিগত ৩ বছর যাবত ব্রিকফিল্ডের শেয়ারে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।

কিন্তু মামা তার ব্যক্তিগত আক্রোশ মিটাতে ভাগিনার সাথে প্রতারনা করেছেন বলে একাধিক সূত্রে জানা যায়।

তবে ভাগিনার শেয়ারের টাকা-পয়সা আত্মসাৎ করা ও শেয়ার ব্যবসা হতে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে মামা আলমগীর নানা কৌশল অবলম্বন করেন।

প্রসঙ্গত, অসৎ কৌশল হাসিল করার জন্য অক্সিজেন বায়েজিদ থানাধীন কেডি এস গার্মেন্টসে কর্মরত

৩ ব্যক্তিকে টাকার মাধ্যমে কিনে নিয়ে আরমানের পিছনে তিন নারীকে লাগিয়ে দেয়া হয়।

পরবর্তীতে উক্ত ৩ ব্যক্তির একজন যাহার নাম নরিন মল্লিক।

তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে একটি ফেক আইডি খুলে আরমানের সহিত প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন

এবং বিভিন্ন জায়গাতে তারা ঘোড়াফেরা করে আরমানের মনে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করে।

উক্ত প্রেমের সম্পর্ক কিছুদিন অতিবাহীত হবার পরে নরিন মল্লিকের বাসায় দাওয়াতের প্রলভোন দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় আরমানকে।

সেখানে জাহাঙ্গির আজাদ ও সুরকলি বড়ুয়া নামে দু’জন ব্যক্তির সহায়তায় আরমানকে অভিনব কায়দায় উলঙ্গ ভিডিও ধারন করে
তাহা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি প্রদর্শন ও টাকা আত্মসাৎসহ এফিডেভিট করে বিয়ে করানো হয়।
গত ১০ জানুয়ারি, ২০২১ ইং নরিন মল্লিক আরমানের নিকট ১০লক্ষ টাকা দাবি করেন

এবং তাকে হুমকি দিয়ে বলেন, ১০লক্ষ টাকা না দিলে পূর্বে ধারণকৃত উলঙ্গ ভিডিওটি তার আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু বান্ধবদের মধ্যে ছড়িয়ে দিব।

উক্ত ১০লক্ষ টাকা আরমান দিতে অস্বিকৃতি জানালে গত ১২ জানুয়ারি, ২০২১ ইং নরিন মল্লিক আরমানের

আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু বান্ধবদের মধ্যে উলঙ্গ ভিডিওটি ছড়িয়ে দেন।

প্রতারণায় স্বিকার হওয়া মো: হোসনে মোবারক আরমান ক্রাইম এক্সপ্রেস ডট নেটকে জানান,

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সাইবার ট্রাইবুন্যালে একটি মামলা দায়ের করেন এবং উক্ত মামলায় নরিন মল্লিকসহ তাহাকে সহায়তাদানকারিদের নামে গ্রেফতারী পরোয়ানাও জারি করা হয়।

কিন্তু এখনো গ্রেফতার হচ্ছে না উক্ত অপরাধীরা। এছাড়া আরমানের ঘরে ঢুকে চাঁদাবাজি ও ডিএসএলআর ক্যামেরা ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে।

শুধু তাই নয় আরমানের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা চাঁদাবজি মামলাও করেন আলমগীর। যে মামলার বিষয়ে তিনি জানতেন না।

তবে ভিক্তিহীন মামলায় আরমান জামিনে মুক্তি লাভ করেন।

এধরনের প্রতারককারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবী করেন সংশ্লিষ্টরা। সংশ্লিষ্টরা আরো জানান উক্ত আলমগীর জামায়েত শিবিরের একজন কর্মী ।

তার তাৎপরতায় এলাকাবাসি অতিষ্ট। তার ভাগিনাকে ছাড়াও একাধিক লোকের সাথে প্রতারনা করেছেন। (আরো বিস্তারত আছে…)

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs