মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আত্মসমর্পণকারী ইউনুছের বাড়ি থেকে ইয়াবা ও ফেন্সিডিল উদ্ধার!_ নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফয়েজুল ইসলাম মেম্বার রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নিপাত যাক,বাঙালি জাতি মুক্তি পাক এই স্লোগান নিয়ে বিশাল মানববন্ধন প্রেম করে তুমি প্রতিশোধ নিতে চেয়েছো?প্রয়াত যুবতীর চিঠি! ওব্যাট-প্রান্তিক লার্নিং সেন্টারের শিক্ষার্থীরা পেলো শীতবস্ত্র |বাংলাদেশ দিগন্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে পেকুয়ায় সাংবাদিকদের মানবন্ধন |বাংলাদেশ দিগন্ত রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের দাবিতে টেকনাফে ছাত্রলীগের মানববন্ধন টেকনাফ পৌরসভা নির্বাচনে মোহাম্মদ ইসমাইলের মেয়র প্রার্থীতা বৈধ করেছেন হাইকোর্ট মোটরসাইকেল প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী খোকনের নির্বাচনি অফিস উদ্বোধন হোয়াইক্যংয়ে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান-মেম্বারদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন |বাংলাদেশ দিগন্ত

ছাত্র পরিচয়ের আড়ালে ইয়াবা ব্যবসা জমজমাট,প্রিন্স স্টাইলে জীবনযাপন |বাংলাদেশ দিগন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক:a/s
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২০
  • ২৪৯ বার পঠিত

কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভা উপজেলা এলাকার কে কে পাড়ার আব্দুর রহিম এর পুত্র সালমান (১৯) ইয়াবা ব্যবসা জমজমাট। বন্দরনগরী চট্টগ্রামে ছাত্রত্ব হওয়ার সুযোগে মরণনেশা ইয়াবার ব্যবসাকে কাজে লাগায় সালমান। টাকার লোভে মরণ নেশা ইয়াবা ব্যবসার মতো জঘন্য অপরাধে লিপ্ত হচ্ছেন অনেকে। এজন্য তিনি গড়ে তুলেছেন একটি জমজমাট সিন্ডিকেট। সালমান হোটেল রেডিসেন ব্লু তে
অবস্থান করার ফলে সালমান ও তার সিন্ডিকেট দিনদিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। নাম অনিচ্ছুক চট্টগ্রামের অধ্যায়নরত ১ছাত্র জানান সালমানের দৈনিক খরচ ৫ থেকে ১০ হাজার টাকার মতো। শুধু তাই নয় তার জীবন যাপন রাজপুত্র স্টাইলে। সালমান রেডিসন ব্লু মত ফাইভ স্টার হোটেলে নিয়মিত আড্ডা নাস্তা পূর্তিও চুল কাটেন সালমান। শুধু তাই নয় বিশাল দামি গাড়ি নিয়ে চলাফেরা করেন। দামি দামি মদের বারে নেশা করেন। বিদেশি মদ নিয়েমিত নেশা করেন। চট্টগ্রামে ফ্ল্যাট কিনেছেন। সালমান টেকনাফের সন্তান হওয়ার সুযোগে, চট্টগ্রামে ইয়াবার চাহিদা থাকায় টেকনাফ থেকে ইয়াবা নিয়ে চট্টগ্রামে বিক্রি করে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে যান। এ ইয়াবার মতো মরণনেশায় টাকার প্রলোভন দেখিয়ে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যান সালমান তাঁর সিন্ডিকেট।

উল্লেখ্য, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মাদকবিরোধী অভিযান কিছুটা হল বন্ধ রয়েছে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তিনি চট্টগ্রামের ইয়াবার চালানকে মজুদ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন সালমান।

এ বিষয়ে টেকনাফ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর দেওয়ান মোহাম্মদ জিল্লু রহমান জানা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে একটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে সালমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে, সালমানের কল রিসিভ না করায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs
error: Content is protected !!