বুধবার, ৩১ মে ২০২৩, ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উপকারভোগীদের কৃষি উপকরণ বিতরণ করলেন এনজিও সংস্থা “মুক্তি “ পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিবন্ধীকে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ! দেশে ৪ কোটি মানুষের চলছে দুর্দিন,ঋণ করেই চলছে ৭৪ভাগ পরিবার কোস্টগার্ডের ধাওয়ায় ৭ লাখ ইয়াবা পানিতে ফেলে পালাল পাচারকারীরা ‘ইশ্-মার্ট বাংলাদেশ’ প্রভাষক শাহীন সরওয়ার টানটান উত্তেজনায় শেষ হল শেখ রাসেল গোল্ডকাপ;বিজয়ীদের পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিগণ টেকনাফে মুক্তি কক্সবাজার কর্তৃক বাস্তবায়িত প্রকল্পের উপকারভোগীদের মধ্যে প্রশিক্ষণ পরবর্তী নগদ অর্থ সহায়তা বিতরণ টেকনাফে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন অভাবনীয় সফলতায় মেম্বার এনামের প্রতিষ্ঠিত বালিকা মাদ্রাসা টেকনাফে “অক্সফাম” কর্তৃক ভাউচার প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ

জেলায় আড়ালে থাকা মাদকের রাঘব বোয়ালরা এখনো অধরায় |বাংলাদেশ দিগন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২০
  • ৫২৪ বার পঠিত

সীমান্তে বিজিবি,কোষ্ট গার্ডের কড়া নজরদারী,আইনশৃংখলা বহিনীর নানা সাঁড়াশি
অভিযান, মামলা, হামলার পরে ও ইয়াবা সাম্রাজ্যে পতন আনা যাচ্ছেনা। বন্ধ হচ্ছে
না মরণ নেশা ইয়াবার ব্যবসা। তবু আসছে ইয়াবা । প্রতিনিয়ত সীমান্ত অতিক্রম করে
ইয়াবা ঢুকছে সীমান্ত উপজেলা সমুহে । ইয়াবা বিক্রির কাঁচা টাকা লুটে নিচ্ছেন
আড়ালে থাকা ইয়াবার রাঘব বোয়ালরা। জানা যায় , সর্বনাশা ইয়াবা এখন দেশের
উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্তসহ প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের ছড়িয়ে পড়ছে। বিভিন্ন শ্রেনী
পেশার মানুষ জড়িয়ে পড়ছে এ ব্যবসার সাথে। সচেতন মানুষের মতে,
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দফতর, বিজিবি, র‌্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থাসহ
দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে রয়েছে দেশের সকল ইয়াবার ছোট বড়,মাঝারী
ব্যবসায়ীদের তালিকা। পাশাপাশি প্রভাবশালী ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতাসহ খুচরা
ব্যবসায়ীদের নামের তালিকা ও ঠিকানা রয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থার হাতে। তা সত্বে ও
মাদকের রাঘব বোয়ালদের বিরুদ্ধে তেমন কোনো ব্যবস্থা দৃশ্যমান নয়। এরা সবাই বহাল
তবিয়তেই রয়েছে।
মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনার হুঁশিয়ারি ও অভিযান পরিচালনার নির্দেশনার পর সারাদেশে এখন কঠোর
অবস্থানে রয়েছে আইনশৃংৃখলা বাহিনী। দেশজুড়ে চলছে সরকারী বিভিন্ন বাহিনীর
অভিযানও। এর মাঝে ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে ইয়াবা ব্যবসা। গতকাল ১২ জুলাই
টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউপির খারাংখালী সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে দেশে
অনুপ্রবেশের সময় ২বিজিবির হাতে ২লাখ ৩০হাজার ইয়াবা ও র‌্যাব-১৫ এর হাতে ১৭
হাজার ৯শ ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে।
দুঃখজনক হলে
ও সত্য যে, মাঝে-মধ্যে ছোট মাঝারী মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকের চালান ধরা পড়লেও
তাদের মূল রাঘব বোয়ালরা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। অভিযোগ রয়েছে, সমাজের
প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ এসব সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত থাকায় তাদের টিকিটি স্পর্শ
করতে পারে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই অবস্থার পরিবর্তন জরুরী বলে মনে করেন
স্বচেতন মহল। মাদকের ভয়াল থাবা থেকে দেশকে বাঁচাতে হলে মাদক সিন্ডিকেট যতই
শক্তিশালী হোক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ব্যাপারে সামাজিক সচেতনতারও
কোন বিকল্প নেই। পাশাপাশি ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নীতিনৈতিকতার উন্মেষ ঘটাতে হবে।
যারা ইতোমধ্যেই মাদকাসক্ত হয়েছে তাদেরও সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে
সুস্থধারায় ফিরিয়ে আনতে প্রশাসন কে কাজ করতে হবে।। বাড়াতে হবে মাদক নিরাময়
কেন্দ্রের সংখ্যাও। সর্বোপরি সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করে যার যার অবস্থান
থেকে মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই করে এই যুদ্ধে জয়ী হতেই হবে। দেশ থেকে সম্পুর্নরুপে
মাদক নির্মূল করতে হলে নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনার কোন বিকল্প নেই।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্প সমূহ নাকি এখন ইয়াবার
খনী!  টেকনাফ ও উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ইয়াবার ব্যবসা চলছে দেদারছে।
দেশের ইয়াবা ব্যবসায়ীরাও পাচার কাজে এখন রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করছেন। বর্তমানের
মাদক বিস্তারে রোহিঙ্গাদের যোগসূত্র রয়েছে বেশী। স্থানীয় রা আরো জানায়, এখন
ইয়াবা ব্যবসা অনেক টা রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রনে।সংশ্লিষ্ট প্রশাসন জানায়,২০১৮,১৯ এর তুলনায়
এখন ইয়াবা অনেকটা নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। এখন চলছে আত্মগোপনে থাকা ইয়াবা
ব্যাবসায়ীদের আইনের আওতায় আনার কাজ। স্বচেতন মহলের মতে সীমান্ত এলাকায় আরো
কঠোর নজরদারির পাশাপাশি জেলার মাদকের আমদানিকারকও রাঘব বোয়ালদের আইনের আওতায়
আনা জরুরী।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs
error: Content is protected !!