সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০২:৫৭ অপরাহ্ন

টেকনাফের কলেজ ছাত্র তৌকিরের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি |বাংলাদেশ দিগন্ত

বিডি দিগন্ত ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৯ মে, ২০২১
  • ৩১১ বার পঠিত

গত ২৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় টেকনাফ সদরের নাজির পাড়ায় পারিবারিক সূত্র ধরে জাহিদ হোছেন এর ছেলে জসিমের সাথে মোহাম্মদ ইউনুছের ছেলে জসিমের ঝগড়া-বিবাদ সংঘটিত হয়। উক্ত ঝগড়াকে কেন্দ্র করে জাহিদ হোছেন বাদি হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।সেই মামলায় নির্দোষ নিরপরাধ যারা ঘটনার সাথে কোন প্রকার সংশ্লিষ্টতা নেই, সেখানে টেকনাফ সরকারি কলেজের বিএ ২য় বর্ষের অধ্যয়নরত ছাত্র তৌকির চৌধুরীকে আসামী করা হয়, যিনি ঘটনায় বিন্দু মাত্রও জড়িত নেই।
এদিকে এলাকার সচেতন মহলের দাবি:তৌকির নিরপরাধ নির্দোষ, কেন তাকে উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে আসামী করা হয়ছে যা আমাদের বোধগম্য হচ্ছে না। তৌকির একজন সম্রান্ত পরিবারের ছেলে তার নানা মৃত হাজী ছিদ্দিক আহাম্মদ দীর্ঘ প্রায় ৪৮ বছর যাবৎ প্রবাসে ছিলেন।

তিনি মারা যাওয়ার পরে তার মা ওয়ারিশ সুত্রে অনেক ধন সম্পদের মালিক। তার পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জায়গা-জমির কথা নাই বললাম।যা টেকনাফের সর্বস্তরের মানুষ অবগত।  তৌকিরকে এলাকায় অনেক মানুষ স্নেহ ও সম্মান করে, বলতে গেলে তৌকির একজন ভদ্র ও নম্র শান্ত স্বভাবের অমায়িক একটা ছেলে, সব সময় ন্যায়ের পক্ষে অন্যায়ের বিপক্ষে প্রতিবাদ করার চেষ্টা করে যা অনেকের কাছে অসহনীয়, শুধু শুধু তাকে অনর্থক মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে তাঁর সম্মান ক্ষুন্ন করা হচ্ছে,প্রশাসনের চোখে তাকে অপরাধী বানানো হচ্ছে আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সাথে এরকম জগন্য মিথ্যা মামলা থেকে তৌকির কে অব্যাহতি দেওয়া হউক।
এদিকে তৌকির চৌধুরী’র দাবি,তাহাকে অনর্থক উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে নিজের ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে আমাকে মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে, যেখানে আমার বিন্দু মাত্রও সম্পৃক্ততা নেই, তা এলাকার শত শত মানুষ সাক্ষী।তৌকিরের দাবি স্বার্থনেষী একটি কুচক্রী-মহল আমাকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দিতে মরিয়া যা অতীতেও দেওয়া হয়েছিল পরে তা আল্লাহর অশেষ রহমতে একদিনও কারাবরণ না করে জামিন লাভ করি।সবসময় একটি পক্ষ এলাকায় আমার সম্মান নষ্ট করার চেষ্টা করে যা ২৯ এপ্রিলের ঘটনা পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট বুঝা যায়।যেখানে ঘটনার সাথে বিন্দু মাত্রও জড়িত নেই সেখানে বাদি আমাকে অনর্থক একটি কুচক্রী মহলের অর্থ ও শ্রমের সাহায্য সহযোগিতায় প্রলোভিত হয়ে আমাকে আসামী করে যেখানে আমি ঘটনার পরের দিন বাদি জাহিদ হোছেন এর ছেলে আহত জসিম কে হাসপাতালে পর্যন্ত দেখতে যায় এবং আহত জসিমের বাবা জাহিদ হোছেন ও তার আত্নীয়স্বজনদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে তার শরীরের অবস্থার খোঁজ খবর রাখি।
মামলা দায়ের করার পরে বাদি জাহেদ হোছেন এর সাথে ফোনে কথা বলি উনাকে জিজ্ঞেস করলাম চাচা আপনি নাকি মামলা দায়ের করছেন, জবাবে উনি বললেন না, এখনও অভিযোগ করছি যে পরে আমি জিজ্ঞেস করলাম চাচা ওখানে নাকি আমাকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে উত্তরে বলেন তোমার বাবা আমার বন্ধু তোমাকেও অত্যন্ত স্নেহ করি ভাল লাগে,তোমাকে কেন শুধু শুধু বিনাদোষে আসামী বানাব।তৎক্ষনাৎ উনাকে জিজ্ঞেস করি চাচা, মামলাতো দায়ের করছেন শুনেছি, তখনি উনি বলে বাজি কি গইত্তাম, তোমাকে ‘ত অনেক লজ্জা লাগতেছে বাধ্য হয়ে চাপের মুখে পড়ে তোমাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা আমারও খারাপ লাগতেছে তখনি বললাম সমস্যা নাই চাচা শুকরিয়া ভাল মানুষ হলে এরকম ফল ভোগ করতে হয় তা যুগযুগ ধরে চলমান। এটাই ছিল বাদি জাহিদ হোছেন আর আমার কথোপকথন, যার যথেষ্ট প্রমাণ সংরক্ষিত রয়েছে। পরিশেষে আমি এরকম সাজানো মিথ্যা ভিত্তিহীন মামলার প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জানাই
এ মিথ্যা মামলার সঠিক তদন্ত করে নিরপরাধ নির্দোষ মানুষকে অব্যাহতি দেওয়া হোক সাথে প্রকৃত সত্য উন্মোচিত হউক।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs