উপজেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে জানা যায়,উপজেলার ১নং হোয়াইক্যং ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ৫জন,২নং হ্নীলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ৪জন,৩নং টেকনাফ সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ১২জন এবং ৪নং সাবরাং ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ৪জনসহ মোট ২৫জন প্রার্থী চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোনয়নপত্র কিনলেও এখন মাঠে ১০/১২জন প্রার্থী রয়েছে।

এদিকে ১নং হোয়াইক্যং ইউনিয়নে সাধারণ মেম্বার পদে ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ১৬জন,২নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ১০জন, ৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ১৩জন, ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ৭জন, ৫নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ৯জন,৬নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ১০জন, ৭নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ১২জন,৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ১৪জন,৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ১৫জনসহ ৯টি ওয়ার্ডে মোট ১০৬জন রয়েছে। তম্মধ্যে অর্ধেক মতো প্রার্থী মাঠে রয়েছে। অবশিষ্ট ড্যামী প্রার্থী হিসেবে সমর্থিত প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করছে।

২নং হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ১২জন,২নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ৯জন,৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ৭জন,৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ১১জন,৫নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ১৩জন,৬নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ৫জন,৭নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ১১জন,৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ১০জন,৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ১০জনসহ ৯টি ওয়ার্ডে মোট ৮৮জন প্রার্থী রয়েছে। তম্মধ্যে ৩০/৩৫জন প্রার্থী মাঠে রয়েছে। অবশিষ্ট ড্যামী প্রার্থী হিসেবে সমর্থিত প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করছে।

 

৩নং টেকনাফ সদর ইউপির ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ১২জন,২নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ৪জন,৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ১জন, ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ৬জন,৫নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ৯জন,৬নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ৮জন,৭নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ৬জন,৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ৭জন,৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ২জনসহ ৯টি ওয়ার্ডে মোট ৫৫জন প্রার্থী রয়েছে। এখানে ৩৫জন মত প্রার্থী মাঠে থাকলেও অবশিষ্টদের দেখা মিলছেনা।

৪নং সাবরাং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ১২জন,২নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ৫জন,৩নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ১২জন,৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ৯জন,৫নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ২জন,৬নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ১০জন,৭নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ১৬জন,৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ১১জন,৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী ১০জনসহ ৯টি ওয়ার্ডে মোট ৮৭জন প্রার্থী রয়েছে। তম্মধ্যে ৪০/৪৫জনকে ভোটের মাঠে দেখা গেলে অন্যদের খোঁজ মিলছেনা।

অপরদিকে ১নং হোয়াইক্যং ইউনিয়নে সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার পদে ১নং ওয়ার্ডে ৫জন,২নং ওয়ার্ডে ১৩জন এবং ৩নং ওয়ার্ডে ৭জনসহ মোট ২৫জন মনোনয়ন ফরম ক্রয় করেছে।

২নং হ্নীলা ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার পদে ১নং ওয়ার্ডে ৭জন,২নং ওয়ার্ডে ৪জন এবং ৩নং ওয়ার্ডে ৪জনসহ মোট ১৫জন মনোনয়ন ফরম নিয়েছে।

৩নং টেকনাফ সদর ইউনিয়নে সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার পদে ১নং ওয়ার্ডে ২জন, ২নং ওয়ার্ডে ৫জন এবং ৩নং ওয়ার্ডে ৫জনসহ মোট ১২জন মনোনয়ন ফরম নিয়েছে

এবং ৪নং সাবরাং ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার পদে ১নং ওয়ার্ডে ৬জন, ২নং ওয়ার্ডে ৬জন এবং ৩নং ওয়ার্ডে ৫জনসহ মোট ১৭জন প্রার্থী মনোনয়ন নিয়েছে। এসব মহিলা প্রার্থীদের এক তৃতীয়াংশ মাঠে নেই।

নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দি এসব চেয়ারম্যান, মেম্বার ও সংরক্ষিত মহিলা মেম্বারদের গুণাগুণ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, অনেকে আতœস্বীকৃত অপরাধী, অনেকে হাতে-নাতে আটকের পর জেল খাটানো, অনেকে মাদক মামলার পলাতক আসামী,অনেকে কৌশলে মাদক কারবারী, অনেকে স্বর্ণ চোরচালানী গডফাদার, অনেকে পেশাদার দালালের ভূমিকায়, অনেকে পেশাদার মাদকসেবী,অনেক মহিলা মেম্বার হাতে-নাতে মাদকসহ আটকের পর কারাভোগকারী, অনেকের স্বামী ও স্বজনেরা মাদক কারবারী, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও হুন্ডি ব্যবসার মতো ঘৃণ্য কাজে জড়িত।

তাই তারা অঢেল টাকা-পয়সার মালিক হওয়ায় নির্বাচনী মাঠ সরগরম করে তুলেছে। টাকা লোভী,বিবেকহীন অনেক ভোটারের নিকট সৎ, শিক্ষিত ও ন্যায়বান প্রার্থীদের কদর একটু কম রয়েছে। যাই হোক প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীরা নির্বাচনী কৌশল নিয়ে শেষ সময় পর্যন্ত প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত বলা যাচ্ছেনা সাধারণ ভোটারেরা কোন ধরনের প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে যাচ্ছে তা মুখ্য বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। এই নির্বাচনে অপরাধীদের বিজয় হলে পুরো টেকনাফের সার্বিক পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে আশংকা করা হচ্ছে।