বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৫:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টানটান উত্তেজনায় শেষ হল শেখ রাসেল গোল্ডকাপ;বিজয়ীদের পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিগণ টেকনাফে মুক্তি কক্সবাজার কর্তৃক বাস্তবায়িত প্রকল্পের উপকারভোগীদের মধ্যে প্রশিক্ষণ পরবর্তী নগদ অর্থ সহায়তা বিতরণ টেকনাফে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন অভাবনীয় সফলতায় মেম্বার এনামের প্রতিষ্ঠিত বালিকা মাদ্রাসা টেকনাফে “অক্সফাম” কর্তৃক ভাউচার প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ “মুক্তি” কক্সবাজার কর্তৃক উপকারভোগীদের মাঝে কৃষি উপকরণ ও নগদ টাকা বিতরণ “বাংলাদেশ সমতা ঐক্য পরিষদ’র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী শাখার তৃতীয় মেয়াদে কমিটি গঠিত “মানবাধিকার দিবস” উপলক্ষে টেকনাফে কোস্ট ফাউন্ডেশনের সেমিনার রামুতে সূর্যের হাসি যুব সংঘ ও প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা মুক্তি” কক্সবাজার কর্তৃক টেকনাফে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালিত

টেকনাফ পৌরশহরের গনি মার্কেটে “ঢাকা কস্তুরী” হোটেলের খাবারে টিকটিকি! অভিযান জরুরী

মোঃ আরাফাত সানী, টেকনাফ
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২০
  • ৭০২ বার পঠিত

 

কক্সবাজার টেকনাফে পৌর শহরে অনেক খাবার হোটেলে অস্বাস্থ্যকর, নোংরা পরিবেশে খাবার তৈরীর অভিযোগের শেষ নেই। বিশেষ করে পৌর শহরের হোটেলে ১৪ নং গণি মার্কেটে নাস্তা করার সময় নাস্তার ডালে টিকটিকির সন্ধান পাওয়া যায়।

এই ঘটনা নিয়ে কাস্টমার ও হোটেল কতৃপক্ষের মধ্যে অনেক্ষণ বাকবিণ্ডা হয়। পরে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে হোটেল কতৃপক্ষে’র দায়িত্বরত ম্যানেজার কামাল ও গিয়াস উদ্দিন তৎক্ষনিক বয় ছেলে ও বাবু্র্চিকে চাকুরী থেকে বরখাস্ত করেছেন বলে জানান। এই “ঢাকা কস্তরী” হোটেলে দীর্ঘ দিন যাবত মায়ানমারের রোগাক্রান্ত ও অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন বাবুর্চি ও বয় ছেলে দিয়ে রান্নাবান্না সহ খাদ্য পরিবেশন করে আসছিল।
হোটেলের রান্না ঘর ছাড়া বসার স্হান গুলো চকচকে পরিস্কার রাখলেও রান্নাঘর নোংরা অতিরিক্ত অপরিষ্কার। কাস্টমারগণ হোটেলের মূল অংশের চকচকে সুন্দর দেখে খাবারের জন্য ভিড় করে। কিন্তু অপরিষ্কার ও নোংরা পরিবেশ থেকে রান্না করে খাবার পরিবেশের করা হয় তা কিন্তু কিউ জানে না। প্রতি দিনের বাসি খাবার গুলো রেখে দিয়ে পরের দিনের রান্নাকৃত খাবারের সাথে মিশিয়ে বিক্রি করে বলে প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক লোকজন জানিয়েছেন। এমনকি এই নোংরা পরিবেশের রান্না ঘরে, মরা মুরগী, বাশি মাছ,পরিত্যক্ত গরু, খাঁসির মাংস রান্না করে পরিবেশন করার অভিযোগেরও শেষ নেই। রাঁধার কাজে মায়ানমারের পুরুষের পাশাপাশি বিভিন্ন রোগে রোগান্নিত রোহিঙ্গা মহিলারা কাজ করে থাকে বলে প্রত্যক্ষদর্শী
সূত্রে জানা যায়। এর পাশাপাশি উক্ত হোটেলের মালিক গলাকাটা ব্যবসায়ী নামে পরিচিত,খাবারের জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া। কোন কাস্তমার কর্ণপাত করে,এতো দাম কেন জানতে চাইলে তাকে হেনস্তা করে ছাড়ে,এমন অভিযোগও করেছেন,অনেক কাস্টমার ।নোংরা পরিবেশের জন্য অথিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক অনেক টাকা জরিমানা করেছে। এরপরও হোটেল কতৃপক্ষের কোনো ধরণের টনক নড়েনি।টেকনাফের বিভিন্ন হোটেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে স্হানীয় হোটেলের পরিবেশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও খাবারের মান উন্নত করা, গলাকাটা দাম কমানোর লক্ষ্যে মানুষের সু-স্বাস্থ্য রক্ষার্থে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে শাস্তি প্রদানের জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন সচেতন মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs
error: Content is protected !!