রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
উখিয়ার মুবিন স্থানীয় পত্রিকা থেকে পেলেন পদন্নোতি এবং বেস্ট কো- অপারেশন সম্মাননা সাবরাং উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের বিজয় সংবর্ধনা প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বয়স ১০৭ বছর! |বাংলাদেশ দিগন্ত প্রকাশিত সংবাদের একাংশের প্রতিবাদ মরজিনা মেম্বার অসুস্থ হয়ে চিকিৎসার জন্য ঢাকায়,সকলের দোয়া কামনা করেছেন টেকনাফে কমিউনিটি পুলিশিং ডে পালিত | বাংলাদেশ দিগন্ত যুবক কে অপহরণ করে বিয়ে করলেন তরুণী |বাংলাদেশ দিগন্ত প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের চেক হস্তান্তর | বাংলাদেশ দিগন্ত ইসলাম ত্যাগ করে দেখেন দুই দিন মন্ত্রী থাকতে পারেন কিনা | বাংলাদেশ দিগন্ত টেকনাফে বিএমএসএফ এর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান |বাংলাদেশ দিগন্ত

প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বয়স ১০৭ বছর! |বাংলাদেশ দিগন্ত

বিডি দিগন্ত ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২১
  • ৪৫ বার পঠিত

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মঙলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোছা. অনিকা জাহান সেতুর বয়স এখন ১০৭ বছর! শুনতে অবাক লাগলেও জন্মসনদ অনুযায়ী তার বয়স এটাই।

এ নিয়ে তার পরিবারে মাঝে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সেতুর বাড়ি পাকুন্দিয়া পৌর এলাকার সৈয়দগাঁও গ্রামে। তার বাবার নাম মো. ওয়াসিম।

সে একই এলাকার মঙলবাড়িয়া গ্রামের নানার বাড়িতে থেকে পড়ালেখা করে। সেতু ২০১৪ সালের ২৪ মে জন্মগ্রহণ করে।

সে অনুযায়ী তার ইপিআই টিকাদান কার্ডেও জন্ম তারিখ লেখা আছে ২৪ মে ২০১৪। কিন্তু পৌরসভা থেকে সেতুর জন্মের যে সনদপত্র দেওয়া হয়েছে, তাতে জন্ম তারিখ লেখা হয়েছে ২৪ মে ১৯১৪।

সে হিসেবে জন্মের সনদপত্রে সেতুর বয়স ১০০ বছর বেশি লেখা হয়েছে। অর্থাৎ জন্মের সনদপত্র অনুযায়ী সাড়ে সাত বছরের সেতুর বয়স এখন ১০৭ বছর ছয় মাস হয়েছে।

সেতুর নানা মো. আমিনুল ইসলাম জানান, সেতুর জন্মের সদনপত্র নম্বর-১৯১৪৪৮২৪২০৯০২….। প্রায় তিন মাস আগে উপবৃত্তির টাকা পেতে আবেদন করার জন্য সেতুর জন্মের সনদপত্র আনতে বলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। বাড়ি গিয়ে বিষয়টি তার নানাকে বলে সেতু। পরে জন্মের সনদপত্র আনতে তার নানা পাকুন্দিয়া পৌরসভা কার্যালয়ে যান। সেখান থেকে জন্মের সনদপত্র এনে প্রধান শিক্ষকের হাতে দেন তার নানা।

জন্মের সনদপত্রটি দেখে প্রধান শিক্ষক জানান, এতে সেতুর বয়স ১০০ বছর বেশি লেখা হয়েছে। বিষয়টি সংশোধনের জন্য পৌরসভা কার্যালয়ে যোগাযোগ করেন তিনি। সেখান থেকে জানানো হয়, বয়স সংশোধন করতে হলে আদালতে মামলা করতে হবে। এরপর সংশোধনের জন্য পৌরসভায় আবেদন করতে হবে।

আমিনুল ইসলাম আরো জানান, তিনি গরিব ও অভাবী মানুষ। আদালত তিনি চেনেন না। এখন কি করে তিনি মেয়েটির বয়স সংশোধন করবেন এ নিয়ে তিনি হতাশায় ভুগছেন।

মঙলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলমাছ উদ্দিন বলেন, পৌরসভা কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাই এ ভুলটি করেছে। তাদের এ ভুলের কারণে একটি পরিবার মারাত্মক হয়রানিতে পড়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।

তিনি জানান, সেতুর ইপিআই টিকাদান কার্ডে তার যে জন্ম তারিখ লেখা আছে, ওই জন্মতারিখ ঠিক রেখেই ভর্তি রেজিস্ট্রারে সেতুর জন্মতারিখ লেখা হয়েছে।

পাকুন্দিয়া পৌরসভা কার্যালয়ের সচিব সৈয়দ শফিকুর রহমান বলেন, সনদপত্র টাইপ করার সময় হয়তো ২০১৪ এর জায়গায় ভুলবশত ১৯১৪ লেখা হয়ে থাকতে পারে। তবে যেভাবেই হোক এটি কোনো ছোটখাটো ভুল নয়। এটি একটি বড় ধরনের ভুল হয়েছে। এতে মেয়েটির পরিবার মারাত্মক সমস্যায় পড়েছে। অতি দ্রুত বিষয়টি কিভাবে সংশোধন করা যায় তা ইউএনও স্যারের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চেষ্টা করব।

বাংলানিউজ২৪

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs
error: Content is protected !!