বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন

বড়লেখায় হলি লাইফ স্পেশালাইজড হাসপাতালকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা:কার্জক্রম বন্ধ ঘোষণা

জালাল উদ্দিন,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২০
  • ৩৭৫ বার পঠিত

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় লাইসেন্স ছাড়াই রমরমা চিকিৎসা ব্যবসা চালানোসহ নানা অনিয়মের দায়ে হলি লাইফ স্পেশালাইজড বেসরকারী হাসপাতালকে৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেইসাথে লাইসেন্স গ্রহণ না করা পর্যন্ত হাসপাতালটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল পাঁচটার দিকে বড়লেখা পৌর শহরের দক্ষিণবাজার এলাকায় অবস্থিত আলহাজ্ব শিব্বির ম্যানশনে পরিচালিত এই হাসপাতালে অভিযান চালানো হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম আল ইমরান। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস বড়লেখা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রতন দেবনাথ।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে সম্প্রতি একজন রোগীর পক্ষে তার স্বজন বেসরকারি এই হাসপাতালটির বিরুদ্ধে যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ করেন। একইসাথে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মোহাম্মদ নুর নবী রাজুকেও অভিযুক্ত করেন। যিনি ওই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মৌসুমী কিবরিয়ার স্বামী। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত হাসপাতালটিতে অভিযান পরিচালনা করেন।

এসময় দেখা গেছে হাসপাতালের লাইসেন্স নেই। হাসপাতালে মেয়াদ উত্তীর্ণ রিএজেন্ট ও সরকারি হাসপাতালের ওষুধ পাওয়া গেছে। হাসপাতালে সেবা কার্যক্রমেরও কোনো মূল্য তালিকা নেই। হাসপাতালের অভ্যন্তরে ফার্মেসির ড্রাগ লাইসেন্স নেই। এসব কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। সেই সাথে লাইসেন্স না হওয়া পর্যন্ত হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই সন্ধ্যায় বলেন একজন ভুক্তভোগী রোগীর স্বজন উক্ত প্রতিষ্ঠান ও একজন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এরপর প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। এতে প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স না থাকাসহ নানা অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি লাইসেন্স না পাওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া যে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে তার বিষয়টি বিভাগীয়ভাবে তদন্ত করে দেখা হবে।

বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম আল ইমরান বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বলেন সুনির্দিষ্ট অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালানো হয়। হাসপাতালের লাইসেন্স নেই। অনেকগুলো অনিয়ম পাওয়ায় জরিমানা ও হাসপাতালটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সরকারি ওষুধ কি করে এখানে এসেছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs
error: Content is protected !!