বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন

মিয়ানমারে শান্তি ও স্থিতিশীলতা দেখতে চায় বাংলাদেশ |বাংলাদেশ দিগন্ত

বিডি দিগন্ত ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৩৬৬ বার পঠিত

বাংলাদেশ আশা প্রকাশ করেছে যে, মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও সাংবিধানিক ব্যবস্থা সমুন্নত রাখা হবে। আজ বেসামরিক নেত্রী অং সান সু চি ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের আটকের পর দেশটির সেনাবাহিনী সেখানে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করেছে।

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী আজ সকালে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে একজন জেনারেলকে নিয়োগ দেয়ার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ‘নিকটতম ও বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী হিসেবে আমরা মিয়ানমারে শান্তি ও স্থিতিশীলতা দেখতে চাই।’

 

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অনুসারী ও জোরদার করার সমর্থক।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ঢাকা নাইপিদোর সাথে পারস্পরিক কল্যাণমূলক সম্পর্ক উন্নয়নে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং বাংলাদেশে আশ্রয়গ্রহণকারী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছা, নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে মিয়ানমারের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘আমরা আশা করছি এসব প্রক্রিয়া সঠিক পথেই এগোবে।’

মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় আশ্রয় দেয়া হয়েছে। মিয়ানমারে সেনাবাহিনী দমন অভিযান শুরু করার পর ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে এদের অধিকাংশই এখানে এসেছে। জাতিসংঘ এ ঘটনাকে ‘জাতিগত নিধনের প্রকৃষ্ট উদাহরণ’ এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠন ‘গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করেছে। বিগত তিন বছরে, মিয়ানমার একজন রোহিঙ্গাকেও ফিরিয়ে নেয়নি।

গণমাধ্যম জানিয়েছে, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত নোবেল বিজয়ী অং সান সু চির সরকারের বিরুদ্ধে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আজ ক্ষমতা দখল করেছে। সু চিকে আজ সকালে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট উয়িন মিন্ট ও সু চির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) অন্যান্য নেতার সাথে আটক করা হয়েছে।

কয়েক দিন ধরে বেসামরিক সরকার ও সেনাবাহিনীর মধ্যে উত্তেজনা ও টানাপোড়েনের পর নেতাদের আটক করা হলো। গত নভেম্বর মাসের নির্বাচনের পর থেকেই সেনা অভ্যুত্থানের আশঙ্কা করা হচ্ছিল।

সেনা নিয়ন্ত্রণাধীন মিয়ানমারের মিয়াওয়েডি টিভি জানিয়েছে, দেশের ‘স্থিতিশীলতা’ রক্ষার জন্য এ পদক্ষেপ জরুরি ছিল। সেনাবাহিনী নভেম্বরের নির্বাচনে ‘ব্যাপক অনিয়ম’ ঠেকাতে ব্যর্থতার জন্য দেশটির নির্বাচন কমিশনকে অভিযুক্ত করেছে।

নাইপিদোর বাসিন্দারা বলছেন, সৈন্যরা ইয়াঙ্গুনের সিটি হলে অবস্থান নিয়েছে এবং সেখানে মোবাইল ইন্টারনেট ও ফোন সার্ভিস বিঘ্নিত হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs
error: Content is protected !!