মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুবক কে অপহরণ করে বিয়ে করলেন তরুণী |বাংলাদেশ দিগন্ত প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের চেক হস্তান্তর | বাংলাদেশ দিগন্ত ইসলাম ত্যাগ করে দেখেন দুই দিন মন্ত্রী থাকতে পারেন কিনা | বাংলাদেশ দিগন্ত টেকনাফে বিএমএসএফ এর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান |বাংলাদেশ দিগন্ত টেকনাফে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক হ্নীলা বাজার আউটলেট শাখার উদ্বোধন |বাংলাদেশ দিগন্ত টেকনাফে মাদক আইসসহ গ্রেফতার-১ | বাংলাদেশ দিগন্ত হোয়াইক্যংয়ে টমটম দুর্ঘটনায় এক শিশু নিহত | বাংলাদেশ দিগন্ত টেকনাফে ৯ মামলার আসামি গ্রেফতার |বাংলাদেশ দিগন্ত উখিয়ায় যাত্রা শুরু হলো জাইতুন রেস্টুরেন্ট এন্ড ক্যাফে রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মুহিববুল্লাহ সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত |বাংলাদেশ দিগন্ত

মৌলভীবাজারে মোবাইল চুরির অপবাদে শিশুকে অমানবিক নির্যাতন |বাংলাদেশ দিগন্ত

জালাল উদ্দিন,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২০
  • ২৩৫ বার পঠিত

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের ইসলামপুর ইউনিয়নে মোবাইল চুরির অপরাধে দুই শিশুকে অমানষিক নির্যাতন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) কুরমা চা বাগানে অফিসের সামনে খুঁটির সাথে বেঁধে রেখে স্থানীয় ইউপি সদস্যের উপস্থিতিতে সকাল ৭টা থেকে দুপুর পর্যন্ত শিশু দু’টিকে বেধড়ক পিঠানো হয়েছে।

পরে অভিবাবকদের কাছ থেকে মুছলেকা নিয়ে বিকাল ৩টায় ছেড়ে দেয়া হয়। তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কমলগঞ্জ সদর হাসপাতালে এনে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

এলাকাবাসী ও নির্যাতিতদের পরিবার অভিযোগ করে বলেন, মোবাইল চুরির অপবাদ দিয়ে চা বাগান হাসপাতালের কম্পাউন্ডার মামুন ছেলে তুলে মুন্না পাশি (১২) ও জগৎ নুনিয়া (১৩) নামে দুই শিশুকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে খুঁটির সাথে বেঁধে অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে।

পরে চা বাগান পঞ্চায়েত সভাপতি নারদ পাশিসহ কয়েকজন মিলে বাগান ঘরে নিয়ে বেধড়ক পিঠানো হয়। পরে তাদের ২ জনকে কুরমা চা বাগান ফ্যাক্টরির সামনে খুঁটির সাথে সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত খোলা আকাশের নিচে হাত পিছনে নিয়ে বেঁধে রাখে।

শিশু মুন্নার মা জানান, ইউপি সদস্য দীপেন সাহা সামনে থেকে তাদের পিটিয়েছেন। সাথে ছিল চা বাগান পঞ্চায়েতের সভাপতি নারদ পাশি, সাদেকসহ অনেকে। ছেলেদের অভিবাবকদের কাছ থেকে মুছলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। তাদের অবস্থার অবনতি হলে বিকাল ৪টায় মুন্না ও জগৎকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

নির্যাতিত মুন্নার মা আরো জানান, এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়ের করবেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য দীপেন সাহা বলেন, ছেলেদের বেঁধে রাখা হয়েছিল। তবে নির্যাতন করা হয়নি, কয়েকটি চড়-থাপ্পড় দেয়া হয়েছে। ম্যানেজারের কথায় তিনি প্রথমে ছাড়তে পারেন নি। পরে বিকাল ৩টার পর অভিবাবকদের কাছ থেকে মুছলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

এ ব্যাপারে কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, মোবাইল চুরির জন্য তাদের আটকানো হয়েছিল, তবে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs
error: Content is protected !!