রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের সিকদার পাড়ায় সীমানা বিরোধের জের ধরে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে জোরপূর্বক এক অসহায় বৃদ্ধার বাড়ির নারিকেল গাছ কেটে দিল প্রভাবশালীরা।
সোমবার ৩০ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজারকুল ইউনিয়নের সিকদার পাড়ার বাসিন্দা অসহায় বৃদ্ধা আনজুৃন আরা’র বসতবাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
আনজুমন আরা স্বামী নুরুল ইসলাম বলেন,ঘটনারদিন সকালে আমার ছেলে-মেয়ে না থাকার অসহায়ত্বের এই সুযোগে জোরপূর্বক আমার পৈত্রিক বসতভিটায় প্রবেশ করে প্রতিবেশী মৃত মৌলভীর ছেলে,১। তোফায়েল (৩০)২।দেলোয়ার (৪০)৩।মোশাররফ (৩৫)৪।জসিম উদ্দিন(৪৮)তাদের ছোট ভাই প্রকাশ কালা পুতিয়া ও আব্দুর রশিদের ছেলে ওসমান সহ অজ্ঞাত আরো ৩জন মিলে আমার বসতভিটার অনেক বছরের পুরাতন নারিকেল গাছ কেটে ফেলে। এসময় আমি বাঁধা দিতে গেলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং আমার গায়ে হাত তুলে। এবিষয়ে আনজুমন আরা রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)বরাবর একটি লিখত অভিযোগ দেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,আনজুমন আরা ওই এলাকার একজন শান্তিপ্রিয় বাসিন্দা, সে তার বড়ো স্বামী ও ৫ মেয়ে নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে এই বসতভিটায় বসবাস করে আসছে। কিন্তু তার কোন ছেলে না থাকায় প্রতিবেশী প্রভাবশালীরা আনজুমন আরা’র জমি দখল সহ নানান অত্যাচার করে আসছে। প্রতিবেশীর এক ছেলে পুলিশের কর্মচারী হওয়ায় থানায় মামলা করলে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনা।বিবাদীদের সাথে ভিটা সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে অনেকবার স্হানীয় চেয়ারম্যান ও এলাকার গণ্যমান্য লোকজনদের নিয়ে বিচার হলেও তারা বিচার না মেনে দাপট দেখিয়ে অসহায় বৃদ্ধার পরিবারকে নির্যাতন সহ বিভিন্ন সময় প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে।
ঘটনার দিন বিবাদীরা তাদের ভাড়াটিয়া গুন্ডা বাহিনী নিয়ে অসহায় আনজুন আরা’র বসতভিটার নারিকেল গাছ কাটা শুরু করে,তাতে তার বুড়ো স্বামী বাঁধা দিলে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় এবং আর কেউ বাঁধা দিতে আসলে বাজে বাজে হুমকি দেয়।
অসহায় বৃদ্ধা আনজুন আরা কোন উপায় না দেখে তার উপর ঘটে যাওয়া অত্যাচারের বিচার চেয়ে এবং বিবাদীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখতে অভিযোগ দেন।