বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টানটান উত্তেজনায় শেষ হল শেখ রাসেল গোল্ডকাপ;বিজয়ীদের পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিগণ টেকনাফে মুক্তি কক্সবাজার কর্তৃক বাস্তবায়িত প্রকল্পের উপকারভোগীদের মধ্যে প্রশিক্ষণ পরবর্তী নগদ অর্থ সহায়তা বিতরণ টেকনাফে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন অভাবনীয় সফলতায় মেম্বার এনামের প্রতিষ্ঠিত বালিকা মাদ্রাসা টেকনাফে “অক্সফাম” কর্তৃক ভাউচার প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ “মুক্তি” কক্সবাজার কর্তৃক উপকারভোগীদের মাঝে কৃষি উপকরণ ও নগদ টাকা বিতরণ “বাংলাদেশ সমতা ঐক্য পরিষদ’র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী শাখার তৃতীয় মেয়াদে কমিটি গঠিত “মানবাধিকার দিবস” উপলক্ষে টেকনাফে কোস্ট ফাউন্ডেশনের সেমিনার রামুতে সূর্যের হাসি যুব সংঘ ও প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা মুক্তি” কক্সবাজার কর্তৃক টেকনাফে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালিত

রামুতে প্রতিপক্ষের হামলায় নারী সহ আহত -৩ |বাংলাদেশ দিগন্ত

কক্সবাজার প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৭০৬ বার পঠিত

কক্সবাজারের রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের লম্বরীপাড়া এলাকার বাসিন্দা গাজী আবুল কালাম, তার স্ত্রী ও তার ছেলের উপর তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা করে গুরুতর আহত করেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ২০ ডিসেম্বর (রবিবার)বিকাল ৫টার সময়।

আহতরা হচ্ছেন,লম্বরীপাড়ার হাজী আবুল কালাম (৬০)তার স্ত্রী ছেনুয়ারা বেগম(৫৫),তাদের ছেলে কামরুল ইসলাম( ২৫) তারা বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

হামলাকারীরা হলেন,(১)শফিউল ইসল কাজল (২)
মিয়া হোসেনের ছেলে নুরুল আবছার বাহাদুর(৩)
বাহাদুরের ছেলে বাবু(৪) মৃত কাদের হোসেনের ছেলে মান্নান সহ আরো অজ্ঞাত ৪/৫জন।

জানা গেছে, রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের লম্বরীপাড়া এলাকার বাসিন্দা গাজী আবুল কালামের পরিবার ও নুরুল আবছার বাহাদুরের পরিবার ছোট ছেলেদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষ লেগে যায়,পরে এবিষয়ে মিটমাটের জন্য শ্রমিক নেতা শফিকুল আলম কাজল তার ভগ্নিপতি নুরুল আবছার বাহাদুরের বাড়িতে আসার পথে হাজী আবুল কালামের স্ত্রীকে পথিমধ্যে দেখে তারা তার উপর হামলা করে তাকে গুরুতর আহত করে। এ ঘটনা শুনে আবুল কালামের ছেলেরা তাদের মাকে উদ্ধার করতে ঘটনাস্থলে গেলে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ লেগে যায়। এতে দু’পক্ষের লোকজন আহত হয়।

হাজী আবুল কালামের ছেলে মিজান জানান,ঘটনার পরে যখন দুই পরিবারের আহত লোকদের চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়, তখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শফিকুল আলম কাজল সহ নুরুল আবছার বাহাদুরের পরিবারের লোকদের হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা শুরু করে কিন্তু হাজী আবুল কালাম সহ তার পরিবারের লোকদের হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা না করে হাসপাতালে বারান্দায় ফেলে রাখে এবং তাদের চিকিৎসা না দিতে কিছু উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক নেতারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিষেধ করে। পরে কোন উপায় না পেয়ে প্রাণ বাঁচানোর জন্য তারা চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে চলে যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs
error: Content is protected !!