শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টানটান উত্তেজনায় শেষ হল শেখ রাসেল গোল্ডকাপ;বিজয়ীদের পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিগণ টেকনাফে মুক্তি কক্সবাজার কর্তৃক বাস্তবায়িত প্রকল্পের উপকারভোগীদের মধ্যে প্রশিক্ষণ পরবর্তী নগদ অর্থ সহায়তা বিতরণ টেকনাফে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন অভাবনীয় সফলতায় মেম্বার এনামের প্রতিষ্ঠিত বালিকা মাদ্রাসা টেকনাফে “অক্সফাম” কর্তৃক ভাউচার প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ “মুক্তি” কক্সবাজার কর্তৃক উপকারভোগীদের মাঝে কৃষি উপকরণ ও নগদ টাকা বিতরণ “বাংলাদেশ সমতা ঐক্য পরিষদ’র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী শাখার তৃতীয় মেয়াদে কমিটি গঠিত “মানবাধিকার দিবস” উপলক্ষে টেকনাফে কোস্ট ফাউন্ডেশনের সেমিনার রামুতে সূর্যের হাসি যুব সংঘ ও প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা মুক্তি” কক্সবাজার কর্তৃক টেকনাফে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালিত

সন্দ্বীপ সারিকাইতে সিরাজুদ্দৌলা খোকনের ৪ লক্ষ টাকার গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ |বাংলাদেশ দিগন্ত

রিদুয়ানুল মামুন সোহাগ,চট্টগ্রাম :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৪৯৪ বার পঠিত

স্থানীয় প্রভাবশালীদের যোগ সাজোসে সন্দ্বীপ সারিকাইত ইউনিয়নের সিরাজুদৌলা খোকনের বাড়ীর প্রায় ৪ লক্ষ টাকার গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তরা হলেন আলি আকবর ডিপ্টি, মোহাম্মদ মামুন ও মোহাম্মদ আকবর।
এ ব্যাপারে খোকনের পক্ষে তার আত্মীয় সোহাগ বাদী হয়ে সন্দ্বীপ আদালতে একটি সি আর মামলা দায়ের করেন। মামলা নং সি আর ২৯/২১।

উক্ত মামলায় আসামীরা হলেন আলী আকবর ডিপটি(৫০), পিতাঃ মৃত ওসমান গনি, সাত্তার সেরাং এর বাড়ী, ২য় আসামি মোহাম্মদ মামুন(৩০), পিতাঃ মৃত মোদাচ্ছের,আমিন উল্যাহ সুকানীর বাড়ী,৩য় আসামি মোহাম্মদ আকবর(২৫),পিতাঃ মৃত মানিক,মনাফ মিস্তির বাড়ি।সারিকাইত ০৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
বর্তমানে মামলা সন্দ্বীপ থানা তদন্তাধীন রয়েছে।

জমীর মালিক মোহাম্মদ খোকন বিদেশ থেকে মোবাইল ফোনে জানান আমরা এখানে কেউ থাকিনা বলে স্থানীয় প্রভাবশালীদের প্রভাবে আলী আকবর ডিপটি তার লোকজন নিয়ে আমার জায়গার প্রায় ৪ লক্ষ টাকার গাছ ও আমার পুকুর থেকে মাছ ধরে নিয়ে যায়। এতে আমার লোক বাঁধা দিলে তাদের মারধর করে।

অপরদিকে অভিযুক্ত ডিপটির সাথে যোগাযোগ করলে তিনি গাছ কেটে নেওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন আমি স্থানীয় চেয়ারম্যান পনির, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাঈন উদ্দিন মিশন সহ এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলে গাছ কেটেছি। তারা গাছ কাটার অনুমতি দিয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমাকে চেয়ারম্যান ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অনুমতি দিয়েছেন। গাছ সিরাজের হলেও গাছের গোড়া আমার জায়গায় এসে আমার সমস্যা সৃষ্টি করছে তাই আমি গাছ কেটেছি।

এই বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান এর সাথে কথা বললে তিনি জানান একজনের গাছ আরেক জনকে কাটার অনুমতি আমি কেন দিতে যাবো। আমি বলেছি গাছের মালিক উপস্থিত না হলে আমার কিছু করার নেই। আগে গাছের মালিক কে হাজির করেন। আমি তাকে কাঁটার জন্য বলি নাই।

বিজ্ঞ আদালতের কাছে এ ঘটনার ন্যায় বিচার চাই ভোক্তভোগিরা। তারা আরো দাবি করেন আমাদের সাথে কোন রকম যোগাযোগ ছাড়াই আমাদের প্রায় ৪ লক্ষ টাকার গাছ ও পুকুরের মাছ ধরে নিয়ে যায় তারা। আমরা এই বিষয়ে ন্যায় বিচার চাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs
error: Content is protected !!