মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ১০:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আত্মসমর্পণকারী ইউনুছের বাড়ি থেকে ইয়াবা ও ফেন্সিডিল উদ্ধার!_ নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফয়েজুল ইসলাম মেম্বার রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নিপাত যাক,বাঙালি জাতি মুক্তি পাক এই স্লোগান নিয়ে বিশাল মানববন্ধন প্রেম করে তুমি প্রতিশোধ নিতে চেয়েছো?প্রয়াত যুবতীর চিঠি! ওব্যাট-প্রান্তিক লার্নিং সেন্টারের শিক্ষার্থীরা পেলো শীতবস্ত্র |বাংলাদেশ দিগন্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে পেকুয়ায় সাংবাদিকদের মানবন্ধন |বাংলাদেশ দিগন্ত রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের দাবিতে টেকনাফে ছাত্রলীগের মানববন্ধন টেকনাফ পৌরসভা নির্বাচনে মোহাম্মদ ইসমাইলের মেয়র প্রার্থীতা বৈধ করেছেন হাইকোর্ট মোটরসাইকেল প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী খোকনের নির্বাচনি অফিস উদ্বোধন হোয়াইক্যংয়ে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান-মেম্বারদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন |বাংলাদেশ দিগন্ত

সন্দ্বীপ সারিকাইতে সিরাজুদ্দৌলা খোকনের ৪ লক্ষ টাকার গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ |বাংলাদেশ দিগন্ত

রিদুয়ানুল মামুন সোহাগ,চট্টগ্রাম :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ২১৯ বার পঠিত

স্থানীয় প্রভাবশালীদের যোগ সাজোসে সন্দ্বীপ সারিকাইত ইউনিয়নের সিরাজুদৌলা খোকনের বাড়ীর প্রায় ৪ লক্ষ টাকার গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তরা হলেন আলি আকবর ডিপ্টি, মোহাম্মদ মামুন ও মোহাম্মদ আকবর।
এ ব্যাপারে খোকনের পক্ষে তার আত্মীয় সোহাগ বাদী হয়ে সন্দ্বীপ আদালতে একটি সি আর মামলা দায়ের করেন। মামলা নং সি আর ২৯/২১।

উক্ত মামলায় আসামীরা হলেন আলী আকবর ডিপটি(৫০), পিতাঃ মৃত ওসমান গনি, সাত্তার সেরাং এর বাড়ী, ২য় আসামি মোহাম্মদ মামুন(৩০), পিতাঃ মৃত মোদাচ্ছের,আমিন উল্যাহ সুকানীর বাড়ী,৩য় আসামি মোহাম্মদ আকবর(২৫),পিতাঃ মৃত মানিক,মনাফ মিস্তির বাড়ি।সারিকাইত ০৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
বর্তমানে মামলা সন্দ্বীপ থানা তদন্তাধীন রয়েছে।

জমীর মালিক মোহাম্মদ খোকন বিদেশ থেকে মোবাইল ফোনে জানান আমরা এখানে কেউ থাকিনা বলে স্থানীয় প্রভাবশালীদের প্রভাবে আলী আকবর ডিপটি তার লোকজন নিয়ে আমার জায়গার প্রায় ৪ লক্ষ টাকার গাছ ও আমার পুকুর থেকে মাছ ধরে নিয়ে যায়। এতে আমার লোক বাঁধা দিলে তাদের মারধর করে।

অপরদিকে অভিযুক্ত ডিপটির সাথে যোগাযোগ করলে তিনি গাছ কেটে নেওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন আমি স্থানীয় চেয়ারম্যান পনির, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাঈন উদ্দিন মিশন সহ এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলে গাছ কেটেছি। তারা গাছ কাটার অনুমতি দিয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমাকে চেয়ারম্যান ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অনুমতি দিয়েছেন। গাছ সিরাজের হলেও গাছের গোড়া আমার জায়গায় এসে আমার সমস্যা সৃষ্টি করছে তাই আমি গাছ কেটেছি।

এই বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান এর সাথে কথা বললে তিনি জানান একজনের গাছ আরেক জনকে কাটার অনুমতি আমি কেন দিতে যাবো। আমি বলেছি গাছের মালিক উপস্থিত না হলে আমার কিছু করার নেই। আগে গাছের মালিক কে হাজির করেন। আমি তাকে কাঁটার জন্য বলি নাই।

বিজ্ঞ আদালতের কাছে এ ঘটনার ন্যায় বিচার চাই ভোক্তভোগিরা। তারা আরো দাবি করেন আমাদের সাথে কোন রকম যোগাযোগ ছাড়াই আমাদের প্রায় ৪ লক্ষ টাকার গাছ ও পুকুরের মাছ ধরে নিয়ে যায় তারা। আমরা এই বিষয়ে ন্যায় বিচার চাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs
error: Content is protected !!