বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কোস্টগার্ডের ধাওয়ায় ৭ লাখ ইয়াবা পানিতে ফেলে পালাল পাচারকারীরা ‘ইশ্-মার্ট বাংলাদেশ’ প্রভাষক শাহীন সরওয়ার টানটান উত্তেজনায় শেষ হল শেখ রাসেল গোল্ডকাপ;বিজয়ীদের পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিগণ টেকনাফে মুক্তি কক্সবাজার কর্তৃক বাস্তবায়িত প্রকল্পের উপকারভোগীদের মধ্যে প্রশিক্ষণ পরবর্তী নগদ অর্থ সহায়তা বিতরণ টেকনাফে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন অভাবনীয় সফলতায় মেম্বার এনামের প্রতিষ্ঠিত বালিকা মাদ্রাসা টেকনাফে “অক্সফাম” কর্তৃক ভাউচার প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ “মুক্তি” কক্সবাজার কর্তৃক উপকারভোগীদের মাঝে কৃষি উপকরণ ও নগদ টাকা বিতরণ “বাংলাদেশ সমতা ঐক্য পরিষদ’র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী শাখার তৃতীয় মেয়াদে কমিটি গঠিত “মানবাধিকার দিবস” উপলক্ষে টেকনাফে কোস্ট ফাউন্ডেশনের সেমিনার

সাংবাদিক এম আবদুল হাকিম ষড়যন্ত্রের শিকার;নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী বিএমএসএফ কক্সবাজারের |বাংলাদেশ দিগন্ত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৬৮৩ বার পঠিত

সাংবাদিক এম আবদুল হাকিম ষড়যন্ত্রের শিকার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী জানিয়েছেন বিএমএসএফ কক্সবাজার জেলা শাখা।

সাংবাদিক এম আবদুল হাকিম ঘুমধুমের দফাদার ছৈয়দ আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় ইয়াবা কারবারে জড়িত থাকার এবং আরো বিভিন্ন অপকর্মের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছিল। দফাদার ছৈয়দ আলম প্রকাশিত সংবাদের জের ধরে সাংবাদিক এম আবদুল হাকিম, সাংবাদিক মুসলিম উদ্দিন এবং ইয়াকিন সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে বান্দরবান জেলার চীপজুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আইসিটি আইনে মামলা দায়ের করেছিলেন। পরে বিজ্ঞ আদালত দফাদার ছৈয়দ আলমের দায়ের করা মামলাটি খারিজ করে দেন।

গত বৃহস্পতিবার ( ৩ ডিসেম্বর ) ১২.৫৫ মিনিটের সময় উখিয়া থানার ইনানী পুলিশ সদস্যরা ৪ হাজার পিস ইয়াবা সহ দফাদার ছৈয়দ আলমকে আটক করেন। আটক দফাদার ছৈয়দ আলম পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে সাংবাদিক এম আবদুল হাকিম তার সহযোগী বলে পুলিশকে জবানবন্দি প্রদান করে। উখিয়া থানা পুলিশ ইয়াবা কারবারি দফাদার ছৈয়দ আলমের দেওয়া জবানবন্দির উপর ভিত্তি করে সাংবাদিক এম আবদুল হাকিমকে ইয়াবা মামলার আসামী করেছেন।

উখিয়া থানা পুলিশের কাছে আমাদের প্রশ্ন হল সাংবাদিক এম আবদুল হাকিম যদি ৪ হাজার পিস ইয়াবা সহ আটক হওয়া দফাদার ছৈয়দ আলমের সহযোগী হয়ে থাকে। তাহলে সাংবাদিক এম আবদুল হাকিম কেন দফাদার ছৈয়দ আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় ইয়াবা, ত্রাণের চাল আত্মসাৎ ও চাঁদাবাজীর অভিযোগে সংবাদ প্রকাশ করেছিল? কেনইবা দফাদার ছৈয়দ আলম তার বিরুদ্ধে করা সংবাদের জের ধরে সাংবাদিক এম আবদুল হাকিম সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে বান্দরবান চীপজুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আইসিটি আইনে মামলা করেছিল? এই প্রশ্ন গুলোর কি উত্তর হতে পারে ?

যে কোন সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষই বলবেন সাংবাদিক এম আবদুল হাকিমের উপর প্রতিশোধ নিতেই আটক হওয়া দফাদার ছৈয়দ আলম পূর্বপরিকল্পিত ভাবে পুলিশের কাছে দেওয়া তার জবানবন্দিতে সাংবাদিক এম আবদুল হাকিমের নাম উল্লেখ করেছেন। আর উখিয়া থানা পুলিশ কোন প্রকার যাচাই বাছাই না করে একজন ইয়াবা কারবারির দেওয়া জবানবন্দির উপর ভিত্তি করে একজন সাংবাদিককে ইয়াবা মামলার আসামী করেন। স্বাভাবিক ভাবে এরকম ঘটনা বড় পীড়াদায়ক বলে মনে করা যায়। এটাই হল বাস্তবতা।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম কক্সবাজার জেলা শাখা ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে সাংবাদিক এম আবদুল হাকিমকে ইয়াবা মামলার আসামী করা হয়েছে বলে মনে করেন। বিএমএসএফ কক্সবাজার জেলা সাংবাদিক এম আবদুল হাকিমকে ষড়যন্ত্র করে ইয়াবা মামলার মিথ্যা আসামী করায় জোর প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।
কক্সবাজার জেলার মাননীয় পুলিশ সুপারের কাছে এহেন জঘন্য ঘটনার সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী জানিয়েছেন।

বিবৃতি দাতারা হলেন যথাক্রমে, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) কক্সবাজার জেলা শাখার আহবায়ক মোঃ শহীদুল্লাহ, যুগ্ম আহবায়ক জসিম উদ্দিন, নাজিম উদ্দীন, রিয়াজ মোর্শেদ, মারজান চৌধুরী, মোঃ রেজাউল করিম, শাকুর মাহমুদ চৌধুরী, উখিয়া উপজেলা বিএমএসএফ নেতা আয়াছ রবি, কাজী হুমায়ুন কবির বাচ্চু।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By Bangla Webs
error: Content is protected !!