ঢাকা ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

রাজধানীর হাসপাতালে ছাত্রীকে অস্ত্রোপচারের পর যৌন হয়রানি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৪:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৩ ২৮৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজধানী উত্তরার একটি বেসরকারি হাপাতালে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর অপারেশন করা হয়। অস্ত্রোপচার শেষ হলে চিকিৎসকরা বেরিয়ে যান। এরপর অপারেশন কক্ষেই শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি করা হয়। এমন অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালটির ওটি সহকারীর বিরুদ্ধে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৭ আগস্ট দুপুরে ওই ছাত্রীর অস্ত্রোপচার শেষ হলে ওটি সহকারী তাকে যৌন হয়রানি করেন।

ভুক্তভোগী জানান, অস্ত্রোপচার শেষ হলে চিকিৎসকেরা বেরিয়ে যান। তখন ওটিতে একজন পুরুষ ও একজন নার্স ছিলেন। পুরুষটি ওই নার্সকে কৌশলে বের করে দিয়ে তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। পরে নার্স ওটিতে ফিরে বলেন, তাকে তো কেউ ডাকেনি।

এ ঘটনায় অভিযুক্তের কঠোর বিচার চান ওই ছাত্রী। পরবর্তীতে যেন এ ঘটনা আর কারও সঙ্গে না ঘটে।

ভুক্তভোগীর খালা বলেন, ১৭ আগস্ট বেলা ১টা ২০ মিনিটে আমার ভাগনির অপারেশন করেন ডা. শামিমা হক চৌধুরী। অপারেশনের পর ডাক্তাররা অবজারভেশনে রেখে বেরিয়ে যান। তখন সেখানে রোগী, একজন পুরুষ ও একজন নার্স ছিলেন। ওই অবস্থায় আমাদের ভাগনি সব শুনছিল, টের পাচ্ছিল। কিন্তু নড়াচড়া করতে পারছিল না। লোকটি নার্সকে চালাকি করে বের করে দিয়ে ভাগনির আপত্তিকর স্থানে হাত দেন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ২০ আগস্ট হাসপাতালের পরিচালক বরাবর অভিযোগ দেয়। তার স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।

জানা যায়, এ ঘটনায় হাসপাতালের উপপরিচালক মেজর (অব.) ডা. মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

 

Facebook Comments Box

রাজধানীর হাসপাতালে ছাত্রীকে অস্ত্রোপচারের পর যৌন হয়রানি

আপডেট সময় : ০৭:৩৪:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজধানী উত্তরার একটি বেসরকারি হাপাতালে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর অপারেশন করা হয়। অস্ত্রোপচার শেষ হলে চিকিৎসকরা বেরিয়ে যান। এরপর অপারেশন কক্ষেই শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি করা হয়। এমন অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালটির ওটি সহকারীর বিরুদ্ধে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৭ আগস্ট দুপুরে ওই ছাত্রীর অস্ত্রোপচার শেষ হলে ওটি সহকারী তাকে যৌন হয়রানি করেন।

ভুক্তভোগী জানান, অস্ত্রোপচার শেষ হলে চিকিৎসকেরা বেরিয়ে যান। তখন ওটিতে একজন পুরুষ ও একজন নার্স ছিলেন। পুরুষটি ওই নার্সকে কৌশলে বের করে দিয়ে তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। পরে নার্স ওটিতে ফিরে বলেন, তাকে তো কেউ ডাকেনি।

এ ঘটনায় অভিযুক্তের কঠোর বিচার চান ওই ছাত্রী। পরবর্তীতে যেন এ ঘটনা আর কারও সঙ্গে না ঘটে।

ভুক্তভোগীর খালা বলেন, ১৭ আগস্ট বেলা ১টা ২০ মিনিটে আমার ভাগনির অপারেশন করেন ডা. শামিমা হক চৌধুরী। অপারেশনের পর ডাক্তাররা অবজারভেশনে রেখে বেরিয়ে যান। তখন সেখানে রোগী, একজন পুরুষ ও একজন নার্স ছিলেন। ওই অবস্থায় আমাদের ভাগনি সব শুনছিল, টের পাচ্ছিল। কিন্তু নড়াচড়া করতে পারছিল না। লোকটি নার্সকে চালাকি করে বের করে দিয়ে ভাগনির আপত্তিকর স্থানে হাত দেন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ২০ আগস্ট হাসপাতালের পরিচালক বরাবর অভিযোগ দেয়। তার স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।

জানা যায়, এ ঘটনায় হাসপাতালের উপপরিচালক মেজর (অব.) ডা. মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

 

Facebook Comments Box