ঢাকা ১০:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগর আসনে নৌকার মাঝি লক্ষ্য মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন ফয়জুর রহমান বাদল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৮:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৩ ৬৪ বার পড়া হয়েছে

হেলাল উদ্দিন নবীনগর ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি।
রোববার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রার্থী হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগর আসনে ফয়জুর রহমান বাদলের নাম ঘোষণা করেন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।দলীয় ঘোষণার পরপরই নবীনগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পাড়া মহল্লায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিক্রির ধুম পড়েছে।

ফয়জুর রহমান বাদল নবীনগর উপজেলার মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের রূপকল্প পরিকল্পনা নিয়ে ২০০৬ সালে অসহায় গরীব দুঃখী মানুষকে সাহায্য ও সহযোগিতা করার মাধ্যমে নবীনগর উপজেলায় পদার্পন করেন। স্বল্প সময়ে নিজ কর্মের গুণে মানুষের খুবই আপন ও জনপ্রিয় মানুষ হয়ে উঠেন। পরবর্তী সময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করে নবীনগর নির্বাচনী এলাকার এমপি নির্বাচিত হয়ে পাল্টে ফেলেন হাজার বছরের অবহেলিত নবীনগর উপজেলার জরাজীর্ণতা।

ফয়জুর রহমান বাদল ১৯৬৬ সালে ৫ নভেম্বর বাবার কর্মস্থল ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈত্রিক জš§স্থান এবং বসতবাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার গোপালপুর গ্রামে। তার পিতার নাম মরহুম সার্জেন্ট মজিবুর রহমান। মাতার নাম মরহুমা আয়েশা খাতুন। তার বাবা ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম ১৫নং আসামী ছিলেন এবং বঙ্গবন্ধুর সাথে কারাবরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করে সমরে যুদ্ধ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর বিশ্বস্ত সহচর থাকায় এবং বঙ্গবন্ধুর সকল নির্দেশনা মেনে সাহসী যুদ্ধের কারণে আগরতলা মামলার আসামী হিসেবে বঙ্গবন্ধুর সাথে দীর্ঘদিন কারাভোগ করেন।

যেহেতু তার বাবা ছিলেন এক সাহসী যোদ্ধা এবং সামাজিক, রাজনৈতিক ও দেশপ্রেমিক মানুষ, আর তাই ছোট থাকতেই দেশের জন্য বাবার আত্মত্যাগ দেখতে দেখতে বড় হয়েছেন ফয়জুর রহমান বাদল। আত্মত্যাগী বাবা চাকুরীর পরের সময়টুকু সমাজ এবং দেশ সেবায় কাটাতেন কিন্তু বাদল যখন বিদ্যালয় পেরিয়ে কলেজে পদার্পণ করেন হঠাৎ বাবার মৃত্যু অনেক স্বপ্ন থামিয়ে দেয়। থমকে দাঁড়ায় শিক্ষা গ্রহণ করা। বাধ্য হয়ে ব্যবসায় মনোযোগী হন। যোগ্য বাবার যোগ্য উত্তরসুরী হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে অল্প বয়সেই ব্যবসায় সফলতা লাভ করেন। একজন সফল ব্যবসায়ী হওয়ার পর আবারও আত্মনিয়োগ করেন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে। নিজ প্রতিভায় সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলেও অতি দ্রুত সফল হয়ে উঠেন।

২০১৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া (৫) নবীনগর নির্বাচনী এলাকা হতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নৌকা প্রতিকে বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হন।
এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর হতেই এলাকার উন্নয়নে সরকারী, বিদেশী বিভিন্ন সংস্থা এবং ব্যক্তিগত অর্থ বরাদ্দের মাধ্যমে নবীনগর উপজেলাকে একটা আধুনিক ডিজিটাল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালান।

ফয়জুর রহমান বাদল এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর নবীনগর উপজেলা এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীর বিপুল সমর্থনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি’র উপস্থিতিতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুমোদনের মাধ্যমে নবীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করেন। বাদলের উন্নয়নের কারণে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীরাও সামান্য সমালোচনা করার সাহস পায় না।তিনি টানা দুইবার উপজেলা আওয়ামিলীগের সভাপতির দায়িত্ব সফল ভাবে পালন করছেন

নীতি-নৈতিকতার ক্ষেত্রে ফয়জুর রহমান বাদল আপোষহীন। যে কোন অন্যায়ের বিরুদ্ধে যত নিকটস্থ আপন লোকের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতেও বিন্দু পরিমান কার্পণ্য করেন নাই। মাদক ব্যবসায়ী, মাদক সেবক, চাঁদাবাজ, মামলাবাজ এবং দুর্নীিিতবাজ এই প্রকৃতির লোকজনকে কঠোর হস্তে দমন করার ক্ষেত্রে বিন্দু পরিমাণ সময়ক্ষেপন করেন নাই। নবীনগর উপজেলার অসহায় মানুষের ভরসার জায়গা ফয়জুর রহমান বাদল।

Facebook Comments Box

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগর আসনে নৌকার মাঝি লক্ষ্য মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন ফয়জুর রহমান বাদল

আপডেট সময় : ০৫:০৮:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৩

হেলাল উদ্দিন নবীনগর ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি।
রোববার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রার্থী হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগর আসনে ফয়জুর রহমান বাদলের নাম ঘোষণা করেন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।দলীয় ঘোষণার পরপরই নবীনগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পাড়া মহল্লায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিক্রির ধুম পড়েছে।

ফয়জুর রহমান বাদল নবীনগর উপজেলার মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের রূপকল্প পরিকল্পনা নিয়ে ২০০৬ সালে অসহায় গরীব দুঃখী মানুষকে সাহায্য ও সহযোগিতা করার মাধ্যমে নবীনগর উপজেলায় পদার্পন করেন। স্বল্প সময়ে নিজ কর্মের গুণে মানুষের খুবই আপন ও জনপ্রিয় মানুষ হয়ে উঠেন। পরবর্তী সময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করে নবীনগর নির্বাচনী এলাকার এমপি নির্বাচিত হয়ে পাল্টে ফেলেন হাজার বছরের অবহেলিত নবীনগর উপজেলার জরাজীর্ণতা।

ফয়জুর রহমান বাদল ১৯৬৬ সালে ৫ নভেম্বর বাবার কর্মস্থল ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈত্রিক জš§স্থান এবং বসতবাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার গোপালপুর গ্রামে। তার পিতার নাম মরহুম সার্জেন্ট মজিবুর রহমান। মাতার নাম মরহুমা আয়েশা খাতুন। তার বাবা ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম ১৫নং আসামী ছিলেন এবং বঙ্গবন্ধুর সাথে কারাবরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করে সমরে যুদ্ধ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর বিশ্বস্ত সহচর থাকায় এবং বঙ্গবন্ধুর সকল নির্দেশনা মেনে সাহসী যুদ্ধের কারণে আগরতলা মামলার আসামী হিসেবে বঙ্গবন্ধুর সাথে দীর্ঘদিন কারাভোগ করেন।

যেহেতু তার বাবা ছিলেন এক সাহসী যোদ্ধা এবং সামাজিক, রাজনৈতিক ও দেশপ্রেমিক মানুষ, আর তাই ছোট থাকতেই দেশের জন্য বাবার আত্মত্যাগ দেখতে দেখতে বড় হয়েছেন ফয়জুর রহমান বাদল। আত্মত্যাগী বাবা চাকুরীর পরের সময়টুকু সমাজ এবং দেশ সেবায় কাটাতেন কিন্তু বাদল যখন বিদ্যালয় পেরিয়ে কলেজে পদার্পণ করেন হঠাৎ বাবার মৃত্যু অনেক স্বপ্ন থামিয়ে দেয়। থমকে দাঁড়ায় শিক্ষা গ্রহণ করা। বাধ্য হয়ে ব্যবসায় মনোযোগী হন। যোগ্য বাবার যোগ্য উত্তরসুরী হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে অল্প বয়সেই ব্যবসায় সফলতা লাভ করেন। একজন সফল ব্যবসায়ী হওয়ার পর আবারও আত্মনিয়োগ করেন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে। নিজ প্রতিভায় সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলেও অতি দ্রুত সফল হয়ে উঠেন।

২০১৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া (৫) নবীনগর নির্বাচনী এলাকা হতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নৌকা প্রতিকে বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হন।
এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর হতেই এলাকার উন্নয়নে সরকারী, বিদেশী বিভিন্ন সংস্থা এবং ব্যক্তিগত অর্থ বরাদ্দের মাধ্যমে নবীনগর উপজেলাকে একটা আধুনিক ডিজিটাল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালান।

ফয়জুর রহমান বাদল এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর নবীনগর উপজেলা এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীর বিপুল সমর্থনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি’র উপস্থিতিতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুমোদনের মাধ্যমে নবীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করেন। বাদলের উন্নয়নের কারণে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীরাও সামান্য সমালোচনা করার সাহস পায় না।তিনি টানা দুইবার উপজেলা আওয়ামিলীগের সভাপতির দায়িত্ব সফল ভাবে পালন করছেন

নীতি-নৈতিকতার ক্ষেত্রে ফয়জুর রহমান বাদল আপোষহীন। যে কোন অন্যায়ের বিরুদ্ধে যত নিকটস্থ আপন লোকের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতেও বিন্দু পরিমান কার্পণ্য করেন নাই। মাদক ব্যবসায়ী, মাদক সেবক, চাঁদাবাজ, মামলাবাজ এবং দুর্নীিিতবাজ এই প্রকৃতির লোকজনকে কঠোর হস্তে দমন করার ক্ষেত্রে বিন্দু পরিমাণ সময়ক্ষেপন করেন নাই। নবীনগর উপজেলার অসহায় মানুষের ভরসার জায়গা ফয়জুর রহমান বাদল।

Facebook Comments Box