ঢাকা ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গুনাইঘর ইউনিয়ন ৮ নং ওয়ার্ড আলিম মেম্বারের রিলিফের চাউলের কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫২:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ এপ্রিল ২০২৪ ৩৬ বার পড়া হয়েছে

 

আফছানা আক্তার কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি

 

কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলার গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়নে সরকারি ১০ কেজি রিলিফের চাউল বিতরণ করা হয় এমতাবস্থায় লক্ষ্য করা যায় মাশিকাড়ার ৮/১০ সাধারণ মহিলা ,রিলিফের চাউল নিতে আসলে খালি হাতে ফিরে যেতে হয় ।
তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জানা যায় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো হুমায়ন কবিরকে বিষয়টি জানিয়েছিল যে তাদেরকে রিলিফ পাওয়ার যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও কেন চাউল দেওয়া হলো না ।

তাদের উপস্থিতিতে চেয়ারম্যান মেম্বারকে ফোন দিয়ে জানতে চাইলে উনি সরাসরি বলে দেন এগুলি উনার লোক না। পরক্ষণে গ্রামে খবর নিয়ে জানা যায় মেম্বারের আধিপত্য বিস্তারে তার নিজস্ব লোকদেরকে এই রিলিফের চাউলের কাঠ বিতরণ করেছে সেখানে যারা রিলিফের চাউল পাওয়ার যোগ্য সাধারন গরিব কৃষক ও ভিক্ষুক তাদেরকে না দিয়ে নিজের পক্ষপাতিত্ব স্বাবলম্বী লোকদেরকে
নিজের আধিপত্যের লোকদেরকে দেওয়া হয়েছে সমস্ত রিলিফ
রিলিফের চাউল অনেকে না পাওয়া ব্যক্তি নিজের গ্রামের লোক অস্বীকার করায় তারা মেম্বারকে সরাসরি ফোন দিলে ফোনেও পাওয়া যায়নি মেম্বার।
পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে জানা যায় ৩০ কেজি চাউলের কাঠ দাড়ি ব্যক্তিদের কেউ এই রিলিজের চাউল দেওয়া হয়েছে যদি সে মেম্বারের কোরামের লোক হয় থাকে
এসব অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে গ্রামবাসী ক্ষুব্ধ প্রকাশ করেন মেম্বার এবং ইউনিয়নের দায়িত্বশীলদের প্রতি।
বিষয়টি সচিব কে জানানো হলে উনি এক কথায় জানিয়ে দেন যারা ৩০ কেজি চালের কার্ড পায় বা সরকারি অন্য সুযোগ সুবিধা পায় তারা এই রিলিফের চাউল পাওয়ার যোগ্য না আর যদি তাদেরকে রিলিজের চাউল দিয়ে থাকা হয় তাহলে সেটা অবশ্যই অন্যায় এবং আইনবিরোধী কাজ করেছে এবং পক্ষপাতিত্ব করেছে বলে জানান।

Facebook Comments Box

গুনাইঘর ইউনিয়ন ৮ নং ওয়ার্ড আলিম মেম্বারের রিলিফের চাউলের কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:৫২:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ এপ্রিল ২০২৪

 

আফছানা আক্তার কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি

 

কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলার গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়নে সরকারি ১০ কেজি রিলিফের চাউল বিতরণ করা হয় এমতাবস্থায় লক্ষ্য করা যায় মাশিকাড়ার ৮/১০ সাধারণ মহিলা ,রিলিফের চাউল নিতে আসলে খালি হাতে ফিরে যেতে হয় ।
তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জানা যায় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো হুমায়ন কবিরকে বিষয়টি জানিয়েছিল যে তাদেরকে রিলিফ পাওয়ার যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও কেন চাউল দেওয়া হলো না ।

তাদের উপস্থিতিতে চেয়ারম্যান মেম্বারকে ফোন দিয়ে জানতে চাইলে উনি সরাসরি বলে দেন এগুলি উনার লোক না। পরক্ষণে গ্রামে খবর নিয়ে জানা যায় মেম্বারের আধিপত্য বিস্তারে তার নিজস্ব লোকদেরকে এই রিলিফের চাউলের কাঠ বিতরণ করেছে সেখানে যারা রিলিফের চাউল পাওয়ার যোগ্য সাধারন গরিব কৃষক ও ভিক্ষুক তাদেরকে না দিয়ে নিজের পক্ষপাতিত্ব স্বাবলম্বী লোকদেরকে
নিজের আধিপত্যের লোকদেরকে দেওয়া হয়েছে সমস্ত রিলিফ
রিলিফের চাউল অনেকে না পাওয়া ব্যক্তি নিজের গ্রামের লোক অস্বীকার করায় তারা মেম্বারকে সরাসরি ফোন দিলে ফোনেও পাওয়া যায়নি মেম্বার।
পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে জানা যায় ৩০ কেজি চাউলের কাঠ দাড়ি ব্যক্তিদের কেউ এই রিলিজের চাউল দেওয়া হয়েছে যদি সে মেম্বারের কোরামের লোক হয় থাকে
এসব অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে গ্রামবাসী ক্ষুব্ধ প্রকাশ করেন মেম্বার এবং ইউনিয়নের দায়িত্বশীলদের প্রতি।
বিষয়টি সচিব কে জানানো হলে উনি এক কথায় জানিয়ে দেন যারা ৩০ কেজি চালের কার্ড পায় বা সরকারি অন্য সুযোগ সুবিধা পায় তারা এই রিলিফের চাউল পাওয়ার যোগ্য না আর যদি তাদেরকে রিলিজের চাউল দিয়ে থাকা হয় তাহলে সেটা অবশ্যই অন্যায় এবং আইনবিরোধী কাজ করেছে এবং পক্ষপাতিত্ব করেছে বলে জানান।

Facebook Comments Box