ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নবীনগরে সওজের জায়গা বেদখল যানজটে যাত্রী চলাচলের ভোগান্তি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৪ ৩২ বার পড়া হয়েছে

 

নবীনগর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সওজের জায়গা আরসিসি খুঁটি দিয়ে বেদখল করা হচ্ছে। জিনতপুর ইউনিয়নের ভাঙ্গরা বাজার সংলগ্ন নবীনগর টু কোম্পানিগঞ্জ সড়কের ডান পাশে সরকারি খালসহ
সওজের জায়গায় ফের পাকা দোকানঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। ফলে সবসময় যানজট লেগে থাকার কারণে যাত্রীদের চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ।

নবীনগর উপজেলার নবীনগর টু কোম্পানিগঞ্জ সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জায়গায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের আঁট মাসের মাথায় আবারও সেখানে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ চললেও সরকারি কোন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। গুঞ্জন রয়েছে বেদখলকারী দোকানের বৈধতা পাওয়ার জন্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সহ ভিন্ন মহলে কমিউনিকেট হচ্ছে ।

জিনোদপুর ইউনিয়নের স্থানীয় চেয়ারম্যান ও বাজার কমিটির সভাপতি মোঃ রবিউল আলম রবি বলেন প্রত্যেকেই নিজ নিজ দায়িত্বে সড়ক ও জনপদের জায়গা দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করছেন এখানে কোন টাকা-পয়সার লেন-দেন করা হয়নি। তারা পূর্বে থেকে দখল করে ব্যবসা করে আসছিল রূঢ়সের গাইড ওয়াল নির্মাণ কাজের প্রয়োজনে সাবেক এমপির এবাদুল করিম বুলবুল এর অনুরোধে তাদের দোকান সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

বাঙ্গরা এলাকাবাসী সওজ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাঙ্গরা বাজার এলাকা ও কোম্পানিগঞ্জ সড়কের জায়গা দখল করে অবৈধভাবে গড়ে তোলা অন্তত ২০০ টি স্থাপনা সাবেক এমপি এবাদুল করিম বুলবুলের আমলে উচ্ছেদ করা হয়েছিল। উচ্ছেদের আঁট মাসের মাথায় দখলদাররা আবারও সেই জায়গা দখল করে নিচ্ছে। উচ্ছেদ করা দোকান ও স্থাপনা আবারও মজবুত করে বসানো হচ্ছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় সারা বাজার জুড়ে চলছে দখলের প্রতিযোগিতা যাত্রী ছাউনিতে বসেছে সেলুনের দোকান। ব্রিজের উপরে বসেছেন চাইএর স্টল, কিছু দোকান ইট-বালু রড দিয়ে নির্মাণ কাজ চলমান আছে। আর কিছু দোকান টিন দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। তবে অবৈধভাবে দখলের কথাটি স্বীকার করে আবু হানিফ ও আলামিন সহ একাধিক দখলদার ব্যক্তি বলেন, এর আগেও দুইবার উচ্ছেদ করা হয়েছিল পেটের তাগিদে আমরা আবার দখল করে ব্যবসা-বাণিজ্য করছি। কালের কন্ঠের প্রতিনিধির এক প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন সরকারের প্রয়োজন হলে আমরা পুনরায় জায়গাটি ছেড়ে দেবো।

সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিষয়টি আমরা অবগত আছি,উচ্ছেদ অভিযানের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করা হয়েছে।ম্যাজিস্ট্রেট পেলেই আমরা উচ্ছেদ অভিযান করব।

নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর ফরহাদ শামীম বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় জানতে পেয়ে এসিল্যান্ড অফিসের মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে দেখেছি, যে সকল জায়গায় অবৈধ দখল হচ্ছে এগুলো সওজের জায়গা। সংশ্লিষ্ট দপ্তর অভিযানের সহযোগিতা চাইলে আমরা সহযোগিতা করব।

Facebook Comments Box

নবীনগরে সওজের জায়গা বেদখল যানজটে যাত্রী চলাচলের ভোগান্তি

আপডেট সময় : ০১:০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৪

 

নবীনগর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সওজের জায়গা আরসিসি খুঁটি দিয়ে বেদখল করা হচ্ছে। জিনতপুর ইউনিয়নের ভাঙ্গরা বাজার সংলগ্ন নবীনগর টু কোম্পানিগঞ্জ সড়কের ডান পাশে সরকারি খালসহ
সওজের জায়গায় ফের পাকা দোকানঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। ফলে সবসময় যানজট লেগে থাকার কারণে যাত্রীদের চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ।

নবীনগর উপজেলার নবীনগর টু কোম্পানিগঞ্জ সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জায়গায় গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের আঁট মাসের মাথায় আবারও সেখানে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ চললেও সরকারি কোন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। গুঞ্জন রয়েছে বেদখলকারী দোকানের বৈধতা পাওয়ার জন্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সহ ভিন্ন মহলে কমিউনিকেট হচ্ছে ।

জিনোদপুর ইউনিয়নের স্থানীয় চেয়ারম্যান ও বাজার কমিটির সভাপতি মোঃ রবিউল আলম রবি বলেন প্রত্যেকেই নিজ নিজ দায়িত্বে সড়ক ও জনপদের জায়গা দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করছেন এখানে কোন টাকা-পয়সার লেন-দেন করা হয়নি। তারা পূর্বে থেকে দখল করে ব্যবসা করে আসছিল রূঢ়সের গাইড ওয়াল নির্মাণ কাজের প্রয়োজনে সাবেক এমপির এবাদুল করিম বুলবুল এর অনুরোধে তাদের দোকান সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

বাঙ্গরা এলাকাবাসী সওজ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাঙ্গরা বাজার এলাকা ও কোম্পানিগঞ্জ সড়কের জায়গা দখল করে অবৈধভাবে গড়ে তোলা অন্তত ২০০ টি স্থাপনা সাবেক এমপি এবাদুল করিম বুলবুলের আমলে উচ্ছেদ করা হয়েছিল। উচ্ছেদের আঁট মাসের মাথায় দখলদাররা আবারও সেই জায়গা দখল করে নিচ্ছে। উচ্ছেদ করা দোকান ও স্থাপনা আবারও মজবুত করে বসানো হচ্ছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় সারা বাজার জুড়ে চলছে দখলের প্রতিযোগিতা যাত্রী ছাউনিতে বসেছে সেলুনের দোকান। ব্রিজের উপরে বসেছেন চাইএর স্টল, কিছু দোকান ইট-বালু রড দিয়ে নির্মাণ কাজ চলমান আছে। আর কিছু দোকান টিন দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। তবে অবৈধভাবে দখলের কথাটি স্বীকার করে আবু হানিফ ও আলামিন সহ একাধিক দখলদার ব্যক্তি বলেন, এর আগেও দুইবার উচ্ছেদ করা হয়েছিল পেটের তাগিদে আমরা আবার দখল করে ব্যবসা-বাণিজ্য করছি। কালের কন্ঠের প্রতিনিধির এক প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন সরকারের প্রয়োজন হলে আমরা পুনরায় জায়গাটি ছেড়ে দেবো।

সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিষয়টি আমরা অবগত আছি,উচ্ছেদ অভিযানের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করা হয়েছে।ম্যাজিস্ট্রেট পেলেই আমরা উচ্ছেদ অভিযান করব।

নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর ফরহাদ শামীম বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় জানতে পেয়ে এসিল্যান্ড অফিসের মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে দেখেছি, যে সকল জায়গায় অবৈধ দখল হচ্ছে এগুলো সওজের জায়গা। সংশ্লিষ্ট দপ্তর অভিযানের সহযোগিতা চাইলে আমরা সহযোগিতা করব।

Facebook Comments Box